বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ১২:২৪ অপরাহ্ন

৪ দিনের রিমান্ডে শীর্ষ হুজি নেতাসহ ৩ জন

স্টাফ রিপোটার:
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৯
  • ২০

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশের (হুজি) শীর্ষ নেতা আতিকুল্লাহ ওরফে আসাদুল্লাহ ওরফে জুলফিকারসহ গ্রেফতারকৃত আরও দুই সদস্যের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। বৃহস্পতিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক মো. কামরুজ্জামান আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। পরে শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আশেক ইমাম রিমান্ডের আদেশ দেন।

এর আগে, বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর খিলক্ষেত থানার নিকুঞ্জ-২ এর বড় মসজিদ সংলগ্ন মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশের (হুজি) শীর্ষ নেতাসহ তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. আতিকুল্লাহ ওরফে আসাদুল্লাহ ওরফে জুলফিকার (৪৯), মো. বোরহান উদ্দিন রাব্বানী (৪২) ও মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ওরফে শামীম (৪৩)।

ডিএমপি সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃতরা হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশের (হুজি) সদস্য। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, আতিকুল্লাহ ওরফে আসাদুল্লাহ ওরফে জুলফিকার হুজিবির মুফতি হান্নানের ১৯৯৬ সালে গঠিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পরে সংগঠনের বায়তুল মাল ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে দায়িত্বরত ছিলেন। এছাড়াও তিনি আফগান ফেরত যোদ্ধা ও বোমা বিশেষজ্ঞ। গত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলের প্রথম দিকে তিনি দুবাই হয়ে সৌদি আরব পালিয়ে গিয়ে আত্মগোপন করেন এবং সাংগঠনিক কাজে একাধিকবার পাকিস্তানেও যান। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর চলতি বছর মার্চে দেশে ফিরে সংগঠনের পুরনো সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের সংগঠিত করা এবং নতুন সদস্য সংগ্রহ করার কাজ করেন।

সংগঠনকে পুনরায় সক্রিয় করতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের কাজ করছিলেন তিনি। পাকিস্তান, দুবাই ও সৌদিসহ অন্যান্য দেশের জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে বলেও তিনি জানান। এছাড়াও আফগানিস্তানে যুদ্ধচলাকালে ওসামা বিন লাদেন, মোল্লা ওমর, আইমান আল জাওয়াহেরীসহ শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন তিনি।

গ্রেফতারকৃত অপর দুইজন মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ওরফে শামীম ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি এবং মো. বোরহান উদ্দিন রাব্বানী ফেনি জেলার দায়িত্বশীল ছিলেন বলে জানা গেছে। তারা বর্তমানে কাশ্মীর সমস্যা এবং রোহিঙ্গা পরিস্থিতিকে পুঁজি করে পরস্পর যোগসাজশে নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত ছিলেন বলে জানায় ডিএমপি। তাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে খিলক্ষেত থানায় সন্ত্রাস দমন আইনে একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..