সোমবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ১০:০৮ অপরাহ্ন

রাজধানীর দারুস সালাম ও শাহআলী থানাধীন হোটেলের নামে হচ্ছেটা কি?

নিজস্ব প্রতিবেদক:  
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৫৭

প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় মিরপুরে ১এ শাহআলী ও দারুস সালাম থানাধীন ব্যাংঙের ছাতারমত গড়ে উঠছে একাধিক আবাসিক হোটেল। হোটেলগুলোতে স্কর্ট সার্ভিস এবং ব্ল্যাকমেইল বাণিজ্যসিহ নানান অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দারুস সালাম থানাধীন হেটেল ডায়মন্ড এবং অবকাশ, মালিক: হিরু। এদিকে শাহাআলী থানাধীন নিউ হোটেল বাগদাদ: মালিক শুরুজ, হোটেল গোল্ড ষ্টার, মালিক: রাজিবসহ বেশে কয়েকজন হোটেল মালিকদের নাম উঠে এসেছে।

সম্প্রত্তি, এলাকাবাসি অভিযোগ করে বলেন, হোটেল গুলোতে পুলিশের সারাশি অভিযান থাকলেও তা কেবল মাত্র লোভ দেখানো। এছাড়া থানা পুলিশকে প্রতিমাসে মাসোহারা দিয়েই চলছে এসব আবাসিক হোটেল। এমনকি স্কুল-কলেজ ছাত্র-ছাত্রীরাও আশাক্ত হয়ে পরছে হোটেলগুলোর প্রতি। নষ্ট হচ্ছে এলাকার যুব সমাজ। অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, পুলিশ প্রসাশনের অভিযানের ভূমিকা থাকলেও পকেট ভাড়ি করে সুযোগ করে দিচ্ছে হোটেল মালিক কর্তৃপক্ষকে। তবে উক্ত হোটেলগুলো প্রতি একাধিক মানব পাচার দমন আইনে মামলাও রয়েছে।

এদিকে এক পথচারী বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে থাকা দালাল চক্ররা পথচারীদের টার্গেট করে মামা বলে ডাকতে থাকেন এবং বলেন মামা রুম ভাড়া নিবেন নাকি, রুম ভাড়া নিলে সব ব্যবস্থা আছে। তবে হোটেল মালিক কিংবা তাদের পালিত দালাল চক্ররা মানব পাচারের সাথে জড়িত রয়েছে বলে একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া দালাল চক্র কিংবা প্রভাবশালীদের পাহারায় অভিনব কায়দায় চলছে প্রতিষ্ঠানগুলো। যা বোঝার কোন উপায় নেই যে হোটেলগুলোর ভিতরে কি হচ্ছে।  এছাড়া খদ্দের ও রুম বর্ডারাও প্রতারণার স্বীকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

প্রতিটি হোটেলে ঘণ্টা প্রতি রুম ভাড়া ২০০০-৩০০০ হাজার টাকার বিনিময়ে স্বমী-স্ত্রী কিংবা গার্লফ্রেন্ড পরিচয়ে অভিনব কায়দায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ-অসামাজিক ব্যবসা চালিয়ে আসছে উক্ত হোটেলগুলো। তবে  নিয়মে রয়েছে কোন বর্ডারকে ভাড়া দিতে হলে নির্ধারিত ফর্মে তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিদিন নিকটস্থ পুলিশ ফারি/ থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ থাকলেও কোনটাই মানছে না মালিক কর্তৃপক্ষরা। এমনকি হোটেলের নির্দিষ্ট ভলিয়মে লেখা হচ্ছে না বর্ডারদের পরিচয়। এভাবেই ধর্ষনের শিকার হয় অনেক তরুনী। সকাল থেকে সন্ধ্যা বা গভীর রাতে বসছে প্রতিনিয়ত জুয়ার আসর এবং খদ্দেরের সমগম।

অণ্যদিকে এক হোটেল মালিক বলেন, ভাই টুকিটাকি না করলে বিল্ডিং ভাড়া দিব কি করে। তাছাড়া থানা পুলিশ কিংবা মহল্লা ম্যানেজ করেই ব্যবসা করতে হয়। এমনকি টহল পুলিশকেও টাকা দিতে হয়। তবে দারুস সালাম থানাধীন হোটেল অবকাশের মালিক ‍হিরু রাজনৈতিক দলীয় ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে এসব কর্মকান্ড করে আসছেন বলে এমনটাই অভিযোগ।

এবিষয়ে দারুস সালাম থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, তবে আপনাদের অভিযোগের সত্যতা পেলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু এধরনের ব্যবসায়ীরা যতই শক্তিশালী হোক না কেন আইন সবার জণ্য সমান। তাছাড়া এধরনের আবাসিক হোটেলগুলোকে কোন ছাড় নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..