বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২০, ১২:১৭ অপরাহ্ন

যাত্রাবাড়ী থানায় অসাধু ব্যবসায়ীদের অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ?

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৭২

গতকাল রাজধানীর সায়েদাবাদ হুজুর বাড়ি গেট সংলগ্ন আবাসিক হোটেল ইমন ইন্টারন্যাশনাল ওরফে সুকতারা নামক একটি আবাসিক হোটেলে অভিযোগের ভিক্তিতে অসামাজিক বাণিজ্যসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ পাওয়ায় মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করে।

তথ্যসূত্রে জানা গেছে সংবাদকর্মীরা ধারাবাহিক প্রতিবেদনসহ যাত্রাবাড়ী থানায় গত ১০.০২,২০ ইং তারিখে একটি অভিযোগ দ্বায়ের করেন। অভিযোগটি ওসি অপারেশনের নিকট তদন্তর জন্য দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগের পর হোটেল কর্তৃপক্ষ সংবাদকর্মীকে একের পর এক হুমকি দেয়ার চেষ্টা করে।

সম্প্রত্তি, পুলিশের কঠোর নজরদারীতে থাকলেও বন্ধ হচ্ছে না এসব আবাসিক হোটেল ব্যবসা। হোটেল ব্যবসার অন্তরালে চলছে মাদক,পতিতাবৃত্তি। তবে পতিতাবৃত্তির সময় এ.এস.আই. সুজন মিয়া সংবাদকর্মীদের সাথে নিয়ে সঙ্গীয় ফোর্স সহ তাদেরকে গ্রেফতার করে। তবে মালিক কর্তৃপক্ষকে গ্রেফতার করতে পারেনি তারা। পরে মধ্য রাতে থানা কর্তৃপক্ষের সাথে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মধ্যরাতে তাদেরকে ছেড়ে দেয়।

অন্যদিকে ০১৮১৪৮৪৮১০০, ০১৮২২২১১১৯৮ সংবাদকর্মীদের শিকার উক্তি দিয়েছে যে, আমরা সারা রাত থানায় ছিলাম এবং তাদেরকে ছাড়ানোর জন্য থানা কর্তৃপক্ষ অনেক টাকার দাবী করে থাকেন। পরে কোন উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে তাদেরকে ছেড়ে এনেছি। তবে কোন মামলা হয়নি। এদেরকে ডিএমপি আইনে কোর্টে প্রেরন করা হবে। অথচ আসামীদের কোন হুদিস নেই। অর্থের বিনিময়ে কোন যাছাই বাছাই না করে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পওয়া গেছে। অর্থের বিনিময়ে। অপরদিকে ০১৭৫৮৩৫০৫১৮ থানার এক কর্তৃপক্ষ বলেন, অফিসার ইনচার্জ আপনাকে চায়ের দাওয়াত দিয়েছে। আপনি যদি একটু আসতেন তাহলে বিষয়টা নিয়ে আমরা সমাধান করতে পারতাম। যদিও ছিল এটা তার নতুন কৌশল। এরপর আর তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে উপরোক্ত ভয়েজ রেকর্ড গুলো প্রমানিত রয়েছে।

প্রশাসন ও স্থানীয় লোকজনকে ফাঁকি দিতে এসব অবৈধ ব্যবসায়ীরা বার বার হোটেলের নাম পরিবর্তন করলেও পরিবর্তন হয়নি ব্যবসার ধরণ। পুলিশ ও স্থাণীয় সরকার দলের নেতাদের নাম ব্যবহার করে সূ-কৌশলে মাদক, পতিতাবৃত্তি ব্যবসা চালিয়ে আসছে অনুমোদনহীন আবাসিক হোটেল ইমন নামক প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে থানার উিউটি অফিসারকে সকালে ফোন করলে, তিনি বলেন, এধরনের কোন আসামী আমাদের এখানে নেই। তাদেরকে মনে হয় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

থানার অফিসার ইচার্জকে এবিষয়ে ফোন করলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তিতে তার ফোনটা বন্ধ পাওয়া যায়। তবে ওসি অপারেশন বলেন, বিষয়টি আমি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি, আমাদেও এলাকায় এগুলো চলতে দেওয়া হবে না। সে যত বড়ই ক্ষমতাশালী হোক না কেন। অধপনার যদি এধরনের কোন তথ্য পেয়ে থাকেন তাহলে সাথে সাথে থানা কর্তৃপক্ষকে জানাবেন এবং তাদেও বিরুদ্ধে আইনানুগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া স্বমী-স্ত্রী বানিয়ে খাতার রেজিষ্ট্রারী কওে নতুন কৌশল অবলম্বন করে চলচ্ছে ঘন্টা ভিক্তিক স্বর্টগেষ্ট বাণিজ্য। এককথায় বলা যায় এটা এধরনের অসামাজিক বাণিজ্য।

এলাকাবাসি অভিযোগ করে বলেন, উক্ত প্রতিষ্ঠানে মালিক কর্তৃপক্ষ মাদক,পতিতাসহ নানা অসামাজিক কাজের সাথে জড়িত রয়েছে। তাছাড়া এদের বিরুদ্ধে ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধরনের একাধিক মানব পাচার মামলাও রয়েছে। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী সহ তরুন যুবকদের মাঝে এসব অসামাজিক কর্মকান্ডের প্রভাব পড়ছে প্রতিষ্ঠানটির কারনে। আরো বিস্তারিত আছে…

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..