শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন

মৌলভীবাজারে জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফজলু-সম্পাদক ছালেহ

জিতু তালুকদার:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৩৯

সদিচ্ছা ও পারষ্পরিক সহযোগীতা থাকলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব- এ সত্যটি প্রমান করেছে মৌলভীবাজার জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি নং চট্র- ১২২৩)। গতকাল ২৬ অক্টোবর শনিবার জেলার সর্ববৃহৎ শ্রমিক সংগঠন মৌলভীবাজার জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে তাদের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন করে সমগ্র জেলা তথা সারাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।
দিনভর গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি মাথায় করে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ও উৎসবমূখর পরিবেশে দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং ভোটগ্রহণ শেষে উৎসবমূখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগণনার পর কর্মী-সমর্থকসহ বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীগণ সন্তুষ্টচিত্তে ফলাফল মেনে নেয়া, সর্বোপরী কর্মী-সমর্থকসহ বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীগণের মধ্যে পারষ্পরিক স্বাগতঃ সম্মিলন মৌলভীবাজার জেলার নির্বাচনের ইতিহাসে সৌহার্দ্র ও সম্প্রীতির এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
এ নির্বাচনে মৌলভীবাজার সদর উপজেলাসহ জেলার ৪টি উপজেলার মোট ৪টি ভোটকেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতীহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। ৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে মৌলভীবাজার সদরের টাউন কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৩শ, শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৫শ ৫০, বড়লেখা সদর ইউপি মিলনায়তন কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ৫শ ৫০ ও কুলাউড়া মোস্তফা কমিউনিটি সেন্টার কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ২শ।
নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশার পরিবহন শ্রমিক নেতা সঞ্জিত কুমার দেব এর নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন গত ২১ অক্টোবর সোমবার দুপুরে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনের সকল কার্যক্রম নিশ্চিত করেন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সাংবাদিকদের সহযোগীতা কামনা করেন। শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে জেলার ৪টি ভোটকেন্দ্রের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের ভিতরে ও বাহিরে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিল। নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা বারের সিনিয়র আইনজীবি শান্তি পদ ঘোষ। এছাড়াও, সাংবাদিকরা পুরো নির্বাচনী কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
নির্বাচনে সংগঠনের কার্যকরী পরিষদের মোট ১৯টি পদের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় ৯টি পদে প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ১০টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতীহীনভাবে ভোটগ্রহণের পর ভোটগণনা শেষে রাত ১১টার দিকে ঘোষিত জেলার ৪টি ভোটকেন্দ্রের সর্বশেষ প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী- আনারস প্রতীক নিয়ে ১ হাজার ৯শ ৪৮ ভোট পেয়ে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন মোঃ ফজলুল আহমেদ। ছাতা প্রতীক নিয়ে ১ হাজার ১শ ৭৮ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী হয়েছেন হাজী আব্দুল গনি এবং মই প্রতীক নিয়ে ১ হাজার ৪শ ৬৬ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন ছালেহ আহমদ। দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে ৭শ ৪৯ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী হয়েছেন আব্দুল আহাদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..