রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
আমাকে চিনেন আমি কি করতে পারি!

গুলশান থানা সংলগ্ন অধরা ও মেহেদীর অবৈধ স্পার কর্মকান্ড? (পর্ব-২)

রিপন রুদ্রঃ
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৪৪

বর্তমান সরকারের শুদ্ধ অভিযানে অনেক অবৈধ স্পা ব্যবসায়ীরা গাঁ ঢাকা দিলেও গুলশান থানা সংলগ্ন ৫৫ নং রোড, হাউজ নং- ১২/বি “হ্যান্ডস অফ গোল্ড” থাই ম্যাসাজ ও স্পার আড়ালের ভয়াবহ অসামাজিক বাণিজ্য। তবে গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এধরনের অবৈধ বাণিজ্যর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্যেও কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তার ছত্রছায়ায় এখনও চলছে স্পা ও ম্যাসাজ পার্লার বাণিজ্য।

অনুসন্ধানকালে প্রতিষ্ঠানটিতে প্রবেশ করলেই চোঁখে পরে রিসিভসনিষ্টে বসে থাকা একটি ছেলে এবং একটি মেয়ে। তাদের নিকট প্রতিষ্ঠানের মালিকের নাম জানতে চাইলে প্রথমেই বলেন, মালিক এখানে থাকে না। তিনি দেশের বাইরে থাকেন। এরপর বেড়িয়ে আসে আসল তথ্য যে, মালিক তারা নিজেরাই। অধরা ওরফে রুপা ও মেহেদী হাসান। আমরা দুজনেই স্বামী-স্ত্রী। আপনাদের যদি কিছু বলার থাকে বলতে পারেন।

সম্প্রত্তি, তাদের নিকট ব্যবসার ধরন জানতে চাইলে তারা বলেন, ভাই আমরা প্রতিষ্ঠানটি কেবল নতুন করেছি। ইতিমধ্যে কথা বলতে বলতেই চলে আসে একজন খদ্দের এবং রুম থেকে বেড়িয়ে আসে পরিপাটি সেজেগুজে একটি মেয়ে। অথচ তাৎক্ষনিক চোঁখে পরে রুমে থাকা আরো কয়েকজন যুবতী মেয়ে। এরপর অধরা ওরফে রুপা বলেন, ভাই একটু বসেন একজন কাষ্টামার এসেছে তাকে একটু সার্ভিস দিয়ে আসি। একথায় বলা চলে সুন্দরী রমনীদের পসরা সাজিয়ে চলছে স্কর্ট সার্ভিস। পাশাপাশি চলছে রমনীদের দ্বাড়া খদ্দেরদের সাথে ব্ল্যাক মেইল বাণিজ্য। কিন্তু মান সম্মানের ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না ভুক্তভোগীরা।

তবে প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স করেছেন কিনা? তার প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, সিটি কর্পোরেসন থেকে ট্রেড লাইসেন্স করা হয়েছে মাত্র। ট্রেড লাইসেন্সে স্পা বা ম্যাসাজ পার্লার উল্লেখ রয়েছে কিনা বা সাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের অনুমোদন নিয়েছেন কিনা। না এখনো নেওয়া হয়নি তবে আবেদন করা হয়েছে। তবে কি শুধু ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে ব্যবসা করছেন।
স্পা মানে কি? তার প্রশ্নের জবাবে অধরা ওরফে রুপা বলেন, আমি স্পার উপরে ৬ মাসের কোর্স করেছি মাত্র। কিন্তু পুরুষদের যে মেয়ে দ্বারা দরজা বন্ধা করে স্পা করানো হয় তার মানে কি? তাহলে সেটি কি অবৈধ না। এটা কি ধরনের স্পা জানতে পারি ওমনি তিনি এবং তার স্বামী মেহেদী হাসান সংবাদকর্মীদের উপর ক্ষিপ্ত হইয়া বলেন, আমাদেরকে চিনেন আমরা কি করতে পারি। এরপর বেড়িয়ে আসে তাদের মূখ থেকে নানান অপরাধের তথ্য। যাহা সংবাদকর্মীদের গোপন ক্যামেরায় রেকর্ড প্রমানিত। কোন প্রশাসনের সাথে কথা হয়েছে কিনা আপনারা যে এই ব্যবসা করেন, তবে তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছি লিংক রাখার জণ্য এবং আমার উক্ত স্বামীর সাথে থানায় কথা হয়েছে।

এদিকে এলাকাবাসী বলেন, এধরনের অবৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত অভিযান চললে সেটি নামে মাত্র আই ওয়াস ছাড়া কিছুই না। এরা ধরা খেলেও আইনের ফাঁক ফোকর দিয়ে বেড়িয়ে এসে আবার সুযোগ সুবিধামত শুরু করেন বিভিন্ন ধরনের অপরাধ।

অণ্যদিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে আশা এক তরুনী বলেন, ভাই আমি আজ প্রথম এখানে এসেছি। কিন্তু এখানে কি হয় তা এখনও বুঝে উঠতে পারিনি। যেকোন এক মাধ্যম আমার মলিক পক্ষের সাথে পরিচয় হয়। পরিচয় হওয়ার পর একটি চাকরির কথা বলি তাই এখানে আমার আসা। তবে তার নাম জানতে চাইলে তিনি তার পরিচয় দিতে অনিচ্ছুক প্রকাশ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..