শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন
বহাল তবিয়তে প্রতিষ্ঠানটি এখনও চলমান!

রওনক স্পার এজাহারে মালিকের নাম না থাকায় আলোচনার ঝড়

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৯
  • ২৯

রাজধানীর গুলশান এলাকায় গত ২৭/১১/১৯ ইং তারিখে ১২৩ নং রোডের ২১ নং হাউজে রওনক থাই স্পা নামক একটি প্রতিষ্ঠানে অসামাজিকসহ নানা অপকর্ম চলাকালীন সময়ে গুলশান থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে গ্রেফতার করে এবং পলাতক হিসাবে মামলার এজাহারে দেখানো হয়েছে আরো ৩ জনকে। সর্বমোট ১৫ জনকে আসামি করে একটি মানব পাচার দমন আইনে মামলা দ্বায়ের করেন। যাহার মামলা নং-৩২,ধারা-১১/১২/১৩/৭ দ্বায়েরকৃত মামলাটিতে রওনক থাই স্পার মালিক তাজুল ইসলাম তাজুর নাম উল্লেখ না থাকায় তোলপার সৃষ্টি হয়।

এবিষয়ে মামলার বাদী এস.আই মোঃ মাসুম বিল্লা রনির নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামলার তিনজন রিমান্ডে আনা হয়েছিল তারা কেউ মালিকের নাম বলেনি। অথচ গোপন সূত্রে জানা গেছে, তাদেরকে রিমান্ডে আনা হয়েছে ঠিকই তিনি কোন জিজ্ঞাসা বাদ করেননি। এরপর তাহার মাঠোফোনে ফোন দিলে সংবাদকর্মীদের নাম্বার ব্ল্যক লিস্টে দিয়ে রাখেন। এরপর অণ্য একটি নাম্বার দিয়ে ফোন করলে তিনি বলেন, মামলাটি তদন্ত চলছে এবং আমি এখন ব্যস্ত আছি। তাই এবিষয় নিয়ে কোন কথা বলতে চাচ্ছি না বলে কেটে পরেন। অথচ মামলার এজাহারে প্রতিষ্ঠানে নাম থাকলেও নাম নেই প্রতিষ্ঠানের মালিকের। এনিয়ে নানান মহলের আলোচনার ঝড় বইছে। বিষয়টি রহস্যময় বলে দাবী করেছেন সংশ্লিষ্টহল। নাকি অর্থের বিনিময়ে মুল মালিকের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে মালিকের নাম ছাড়া প্রতিষ্ঠান কিংবা ১৫ জনকে আসামী করে মামলা দ্বায়ের করা হল কিভাবে? পূনরায় বহাল তবিয়তে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি এখনও চলমান রয়েছে। সেটাও কিভাবে সম্ভব। নাকি থানা কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানটিকে অর্থের বিনিময়ে থামাচাপা দিয়ে রেখেছে। যদিও ২০১৮ সালের জুলাইয়ের দিকে রওনক থাই স্পা তাজুল ইসলাম তাজুর বিরুদ্ধে একটি মানব পাচার আইনে মামলা হয়।

এদিকে প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর “ক্রাইম এক্সপ্রেস বিডির” সম্পাদককে হুমকি দিয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক তাজুল ইসলাম তাজু বলেন, রুদ্র সাহেব অপনি একটু অপেক্ষা করেন আপনার জণ্য ও নিউজের ব্যবস্থা করছি। সরাদেশের মানুষ দেখবে। আপনি কার সাথে টক্কর দিয়েছেন এখনও জানেন না। খুব তাড়াতাড়ি আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি। এবিষয়ে বেশি বারাবাড়ি করলে এর পরিনাম কি হয় তা তুমি এখনো জানোনা। তবে এবার জানবা। যাহা ভয়েজ রেকর্ড প্রমানিত রয়েছে।

সম্প্রত্তি, গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জের নিকট তার মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টিতো আমি দেখিনি। তাহলে দেখতে হবে। যদি তাই হয় তাহলে এজাহার কপি না দেখেই তিনি স্বাক্ষর করেছেন। যদিও তার মুঠোফোনে সংবাদকর্মীরা অভিযান চালানোর আগেই অফিসার ইনচার্জের মাঠোফোনে প্রতিষ্ঠানের মালিকে নাম উল্লেখ করে সঠিক তথ্য দেওয়া হয়েছিল।

এবিষয়ে গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই,তবে আপনাদের অভিযোগের ভিক্তিতে বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হবে এবং কেউ আইনের উর্দ্ধে নয়। আরো বিস্তারিত আছে…

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..